বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১১:২০:৪৫

আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে জামায়াত নেতাকে গণপিটুনি

আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে জামায়াত নেতাকে গণপিটুনি

এমটিনিউজ২৪ ডেস্ক : পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় এক গৃহবধূকে (২৭) যৌন নির্যাতনের সময় ফারুক হোসেন প্যাদা (৪০) নামের জামায়াতের এক নেতাকে হাতেনাতে আটক করে গণপিটুনি দিয়েছেন স্থানীয়রা। পরে আহত অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

বুধবার (২৯ জুলাই) রাতে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ফারুক হোসেন উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জামায়াতের সেক্রেটারি।   

স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জামায়াত নেতা ফারুক ওই গৃহবধূকে টাকা-পয়সার লোভ দেখিয়ে সম্পর্ক তৈরি করে। এরপর সুযোগ বুঝে ওই গৃহবধূর ঘরে আসা যাওয়া ছিল তার।

বুধবার গৃহবধূর ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় জামায়াত নেতা ফারুককে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাকে গণপিটুনি দেয় বিক্ষুব্ধরা। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় সাইদুল, পারভেজসহ মৃধা বাড়ির ৪-৫ জন আমাকে মারধর করেছে।

তারা আমার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার একটি বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে আমার বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানো হচ্ছে যে, আমার সঙ্গে এক নারীর সম্পর্ক রয়েছে। আমি কোনো নারীকে উত্ত্যক্ত করিনি। কোনো নারীও আমার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ করেননি। তারপরও কথিত অভিযোগে আমাকে মারধর করা হয়েছে।’

অন্যদিকে ভুক্তভোগী গৃহবধূর শাশুড়ি জাহানারা বেগম বলেন, ‘ফারুক দীর্ঘদিন ধরে আমার ছেলের বউকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করত। তাকে টাকা-পয়সার প্রলোভন দিত। একপর্যায়ে সে আমাদের পরিবারের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কানাঘুষা চলছিল। প্রথমে আমরা তা বিশ্বাস করিনি। পরে কিছু ছবি দেখানোর পর বিষয়টি বিশ্বাস করি। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও সে আমার ছেলের বউকে কুপ্রস্তাব দিত।’

তবে ভুক্তভোগী গৃহবধূর তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, মারধরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Follow করুন এমটিনিউজ২৪ গুগল নিউজ, টুইটার , ফেসবুক এবং সাবস্ক্রাইব করুন এমটিনিউজ২৪ ইউটিউব চ্যানেলে